অজুর্নের তিরে ছিল পরমাণু অস্ত্র, বললেন রাজ্যপাল

15th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
অজুর্নের তিরে ছিল পরমাণু অস্ত্র, বললেন রাজ্যপাল


কলকাতা: রাজভবনের যে টেবিলের সামনে বসে ইংরেজি নববর্ষে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার, সেখানে বসেই বঙ্গভঙ্গ চুক্তিতে সই করেছিলেন লর্ড কার্জন। যা নিয়ে বিতর্ক চরমে উঠেছিল। তার দু’সপ্তাহের মাথায় আবারও বিতর্কিত মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল। যা নিয়ে বিস্মিত ইতিহাসবিদ ও বিজ্ঞানীরা। মঙ্গলবার বালিগঞ্জের বিআইটিএমে এক অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল বললেন, বিংশ শতাব্দী নয়, তার আগেও রামায়ণে উড়ন্ত যানের ব্যবহার ছিল। এখানেই শেষ নয়। তিনি বলেন, অর্জুনের তিরে ছিল পরমাণু অস্ত্র। যা নিয়ে তিনি যুদ্ধে নেমেছিলেন। মহাভারত আমরা গোটাটাই সঞ্জয়ের মুখ থেকে শুনেছি। সেই সময় থেকেই ভারত সবদিক থেকে শক্তিশালী। তাই ভারতকে কখনওই অস্বীকার করা যায় না। স্বাভাবিকভাবে এই তত্ত্বকে আজব বলেই দাবি করেছেন বিজ্ঞানী এবং ইতিহাসবিদরা। তাঁদের মতে, রাজ্যপালের চিন্তাধারার মধ্যে এধরনের কাল্পনিক বিষয় অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। পরমাণু অস্ত্র তখন ব্যবহার হতো বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। অর্থাৎ বিংশ শতাব্দীর বিজ্ঞানীরা কিছুই করেননি। সবকিছুই আগে থেকেই হয়ে এসেছে। এমন হলে নতুন কিছু আবিষ্কারই হবে না। পুরনোকে নিয়েই বসে থাকতে হবে।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’