টিকটক করতে গিয়ে আর ফিরলো না স্ত্রী

14th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
টিকটক করতে গিয়ে আর ফিরলো না স্ত্রী


হুগলি: টিকটক ভিডিও করে দিন দিন বাড়ছিল ফলোয়ারের সংখ্যা। বাড়ছিল পরিচিতিও। সেই পরিচিতির মাধ্যমে ব়্যাম্প শোয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। অংশগ্রহণ করার উদ্দেশে দিল্লি রওনা হওয়ার পর থেকেই বেপাত্তা হুগলির চুঁচুড়ার গৃহবধূ। স্ত্রীর খোঁজে পুলিশের দ্বারস্থ মহিলার স্বামী।

কয়েক বছর আগেই চুঁচুড়ার ভগবতীডাঙার প্রসেনজিৎ মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে হয় প্রতিমার। তাঁদের গৃহবধূর একটি পাঁচ বছরের শিশুকন্যাও রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার স্রোতের হাওয়ায় গা ভাসিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি করাই নেশা হয়ে গিয়েছিল প্রতিমার। তাতে সায় দেন গৃহবধূর স্বামীও। চুঁচুড়ার ওই গৃহবধূ অর্থ উপার্জনের জন্য টিকটক ভিডিওকে নিজের জীবনে উপর দিকে ওঠার সিঁড়ি হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। আর এই ভিডিওর দৌলতে অর্থও নেহাত কম রোজগার হচ্ছিল না। টিকটক ভিডিও শুট করার জন্য রাজস্থান, পাটনা, দিল্লিতেও গিয়েছিলেন তিনি। স্বামী-স্ত্রীর অর্থ উপার্জনের পথকে মেনে নিয়ে দু’টি দামী স্মার্টফোনও কিনেছিলেন ওই দম্পতি। কখনও তিনি স্ত্রীকে নিয়ে ভিডিও শ্যুট করতে যেতেন। আবার কখনও বিমানবন্দরে গিয়ে ছেড়ে আসতেন স্ত্রীকে। একা একাই ওই গৃহবধূ নিজের কর্মক্ষেত্রের পরিধি বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত করে নিয়েছিলেন। তাঁর টিকটক ভিডিও ক্রমশই সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।

সেই সুবাদে এক যুবকের সঙ্গে আলাপ হয় প্রতিমার। তিনি গৃহবধূকে দিল্লিতে একটি ব়্যাম্প শোয়ে অংশ নেওয়ার কথা বলেন। সেই মতো গত ৩১ ডিসেম্বর দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন গৃহবধূ। স্বামীর সঙ্গে একদিন মোবাইলে কথাও বলেন প্রতিমা। তবে বর্তমানে দশদিন কেটে গেলেও ওই মহিলার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি তাঁর স্বামী। যতবারই স্ত্রীর মোবাইল নম্বরে ফোন করেছেন ততবারই হতাশ হয়েছেন তিনি। বারবারই সুইচড অফ পান তিনি। দিশেহারা ওই তরুণীর স্বামী। চুঁচুড়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন তিনি। তবে এখনও ওই মহিলার খোঁজ মেলেনি।   





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’