পুরুলিয়া জেলার আদিবাসী স্কুলের অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানী টুডু

11th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
পুরুলিয়া জেলার আদিবাসী স্কুলের অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানী টুডু


বাংলা খবরঃ পুরুলিয়া জেলার ধগড়া আদিবাসী উচ্চ বিদ্যালয়ে সুবর্ণ জয়ন্তী ও পুনর্মিলন উৎসব 2020 অনুষ্ঠিত হল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানী টুডু মহাশয়া । তিনি প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন । তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন , " এই বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী ও পুনর্মিলন উৎসব এ অংশগ্রহণ করতে পেয়ে খুবই আনন্দিত । এই স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের রেজাল্ট ভালো , কিন্তু আরও ভালো যাতে করতে পারে তার জন্য শিক্ষক শিক্ষিকাদের নজর দিতে হবে । রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া কন্যাশ্রী , সবুজ সাথী থেকে শুরু করে অন্য সকল প্রকল্পের সুবিধা স্কুল গুলি পাচ্ছে । ফলে ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশুনা করার ক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে "। তিনি বাংলায় বক্তব্য রাখার সাথে সাথে অলচিকি ভাষাতেও বক্তব্য রাখেন এবং স্কুলের উন্নতিতে সব ধরণের সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন ।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’