মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে বৈধ বলে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট

6th January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে বৈধ বলে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট


বাংলা খবরঃ এবার‌ মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে রাজ্য সরকারের তৈরি করা আইনেই সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে খারিজ করে দেয়। আর ২০০৮ সালে রাজ্য সরকার যে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন আইন তৈরি করেছে তা বৈধ বলে ঘোষণা করে। রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষক নিয়োগের অধিকার কার হাতে থাকবে?‌ মাদ্রাসাগুলির পরিচালক ম্যানেজমেন্ট কমিটি না কি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন—এই প্রশ্নের জবাবের দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা রাজ্য৷ আর কোনও সমস্যা রইল না। কারণ সরকারের আইনকেই সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। 
সোমবার বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং বিচারপতি ইউ ইউ ললিতের বেঞ্চ রায়ে জানিয়েছে, সাংবিধানিকভাবে বৈধ পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন আইন ২০০৮। তবে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি যাঁদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, বৃহত্তর স্বার্থে তাঁদের নিয়োগ বহাল থাকবে। সরকার বা যে সংগঠন সংখ্যালঘু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে আর্থিক সাহায্য দিচ্ছে, তারা শুধু শিক্ষকের নাম প্রস্তাবই নয়, সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ করতে পারবে।
আদালত সূত্রে খবর, কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন কাঁথি রহমানিয়া হাই মাদ্রাসার প্রতিনিধি এবং আইনজীবী আবু সোহেল–সহ অন্যান্যরা৷ তাঁদের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে অবৈধ বলে ঘোষণা করে৷ কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলে রাজ্যের পক্ষে রায় দেন বিচারপতিরা।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’