বিজেপি বিরোধী দল গুলিকে জোট বাঁধার ডাক মমতার

24th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
 বিজেপি বিরোধী দল গুলিকে জোট বাঁধার ডাক মমতার


 নিউজ ডেস্কঃ কলকাতায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে প্রাক বড়দিনের এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, এখন আমরা বিভাজন করো, শাসন করো এরকম একটা অবস্থার সম্মুখীন হয়েছি। সংবিধান সবাইকে সমানভাবে দেখার কথা বলেছে। মমতার কথায়, সেটা ভাঙার চেষ্টা চলছে। এই দেশটা আমাদের সবার ঘর। দেশকে ধ্বংস করতে চাইছে, এমন কোনও অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত করা যাবে না।

মমতা নিজেও ঝাড়খণ্ডের ফলাফল নিয়ে উচ্ছ্বসিত। এদিন ভোট গণনার পর রাঁচির গদি থেকে গেরুয়া শিবির সাফ হওয়ার ইঙ্গিত স্পষ্ট হওয়া মাত্রই ট্যুইট করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সে রাজ্যে বিজেপি নিধনের কারিগর জেএমএম-এর হেমন্ত সোরেন, কংগ্রেস এবং আরজেডিকে অভিনন্দন জানান তিনি। শুভেচ্ছা জানান ঝাড়খণ্ডবাসীদের। মমতা লিখেছেন, সিএএ এবং এনআরসি বিরোধী আন্দোলন পর্বে হয়েছে এই ভোট। সিএএ এবং এনআরসি’র বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন মানুষ। এদিকে, আজ মঙ্গলবারও এই দুই ইস্যুতে মিছিল করবেন মমতা। বিধান সরণীর বিবেকানন্দ মূর্তি থেকে বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রম পর্যন্ত হাঁটবেন তিনি।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’