অস্থায়ী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নয়া বেতন কাঠামো

24th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
 অস্থায়ী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নয়া বেতন কাঠামো


মিউজ ডেস্কঃ কলকাতা: অতিথি শিক্ষক, আংশিক সময়ের শিক্ষক এবং চুক্তিভিত্তিক পূর্ণসময়ের শিক্ষকদের এক ছাতার তলায় আনা হয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে স্টেট এডেড কলেজ টিচার। সেই মতো বেতন বৃদ্ধিও করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সেই ঘোষণা করেছিলেন। এবার তাঁদের এই বেতন বৃদ্ধি নিয়ে সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল। কোন স্তরের শিক্ষকের কত বেতন, অবসরকালীন অর্থ ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সেই বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই সব শিক্ষকদের যেহেতু নতুন নামকরণ করা হয়েছে, তাই তাঁদের সংশ্লিষ্ট কলেজের পরিচালন সমিতির তরফে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। তার জন্য ডিপিআই-এর অনুমোদনও প্রয়োজন রয়েছে। এই সব শিক্ষকদের নিযুক্ত করার জন্য নোশনাল শূন্য পদ তৈরি করা হবে। এই তিন স্তরের শিক্ষক ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরি করতে পারবেন। তবে যে কোনও পরিস্থিতিতে (কাজে অসন্তোষ, খারাপ রেকর্ড ইত্যাদি কারণে) তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে পারবে পরিচালন সমিতি। এই শিক্ষকদের প্রয়োজনে অন্যত্র বদলিও করা যাবে। নয়া বেতনক্রম ১ জানুয়ারি ২০২০ থেকে কার্যকর হবে। এই নয়া আর্থিক সুবিধা পাবেন সেই সব শিক্ষক, যাঁরা চলতি বছরের ১৩ জুলাইয়ের আগে কর্মরত হয়েছেন।
বিকাশ ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার আগে এমন অনেক অতিথি শিক্ষক ছিলেন, যাঁরা একাধিক কলেজে পড়াতেন। সেক্ষেত্রে তাঁদের অপশন ফর্ম দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট একটি কলেজে পড়াতে পারবেন, তাঁর নাম সেই ফর্মে দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তি জারির পর আংশিক সময়ের শিক্ষক সংগঠন কুটাবের সাধারণ সম্পাদক গৌরাঙ্গ দেবনাথ বলেন, বিজ্ঞপ্তি জারির জন্য শিক্ষামন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন। তবে সিনিয়র শিক্ষকদের অভিজ্ঞতার উপর জোর দেওয়া হলে ভালো হতো। সেটির দিকে নজর দেওয়ার জন্য মন্ত্রীকে আর্জি জানাব।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’