কলকাতায় জামিয়াত উলেমা হিন্দ এর CAA বিরোধী সভা

23rd December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
কলকাতায় জামিয়াত উলেমা হিন্দ এর CAA বিরোধী সভা


বাংলা খবরঃ রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে রবিবার জমিয়তের সমাবেশে ভিড় হয়েছিল বিপুল। ভিড়ের চাপে বেশ কিছু ক্ষণ থমকে গিয়েছিল মধ্য কলকাতার রাস্তাঘাট। সমাবেশে সংখ্যালঘু পুরুষদের পাশাপাশি মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। যা সচরাচর থাকে না। জমিয়তের নেতৃত্ব ছাড়াও সমাবেশের মঞ্চে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের এগ্জিকিউটিভ চেয়ারম্যান শ্যামল ঘটক, কাউন্সিলের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান প্রসূন দত্ত, শিবানন্দ মহারাজ, বেঙ্গল বুদ্ধিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের হেমেন্দু বিকাশ চৌধুরী প্রমুখ।

এই সভার সব বক্তাই বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন প্রত্যাহারের দাবিতে সরব হন। সিদ্দিকুল্লা সাহেব বলেন, এই আইনে মুসলমানদের কথা সরাসরি বলা না হলেও তাদের নাগরিকত্ব বাতিলের লক্ষ্যেই এটি তৈরি করা হয়েছে। ভারতের সংবিধানকেই অমান্য করা হয়েছে। তাই অবিলম্বে এই আইন প্রত্যাহার এবং এনআরসি প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে তাঁরা লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানান তিনি। তাঁদের দাবি না মেনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে আসার চেষ্টা করলে বাংলার মানুষ তাঁকে ফেরত পাঠিয়ে দেবে বলে দাবি করেন সংগঠনের এই শীর্ষ নেতা। রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েও তিনি দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন, অমিত শাহ এলে তাঁকে বিমানবন্দর থেকেই ফিরে যেতে হবে। তবে আন্দোলনের পাশাপাশি সবাইকে নিজস্ব পরিচয়পত্র সামলে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে কোনও সমস্যায় পড়লে সংগঠনের পক্ষ থেকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতিও দেন সিদ্দিকুল্লা সাহেব। এদিনের সভায় আমন্ত্রণ জানানো হলেও রাজ্যের শাসকদলের কোনও প্রতিনিধিকে দেখা যায়নি। 





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’