যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র - ছাত্রীদের বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়

23rd December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র - ছাত্রীদের বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়


বাংলা নিউজঃ মঙ্গলবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনঅনুষ্ঠান হওয়ার কথা। বিধি অনুযায়ী, আচার্য ছাড়া বিশেষ সমাবর্তন হতে পারে না। কিন্তু যাদবপুরের এসএফআই প্রভাবিত ছাত্র সংগঠনের অধিকাংশই আচার্য হিসেবে জগদীপ ধনকড়কে চাইছেন না। তাই তিনি ক্যাম্পাসে এলে অশান্তি ছড়াতে পারে, এই আশঙ্কায় সমাবর্তন অনুষ্ঠানই স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলর বৈঠকে। আজ, কোর্টের বৈঠকে তা পাশ করিয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা করার কথা ছিল। এই বিষয়টি রাজ্যপালের কানে পৌঁছতে তিনি সমাবর্তন স্থগিত করার সিদ্ধান্তের তুমুল বিরোধিতা করে কোর্ট বৈঠকে নিজে হাজির থাকার কথা ঘোষণা করেন। সেই মর্মে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্তৃপক্ষকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়ে দেন।

সোমবার দুপুর দু’টো নাগাদ আচার্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছতেই পড়ুয়ারা তাঁর পথ রোধ করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকে। তাঁদের অভিযোগ, আচার্য হিসেবে নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না ধনকড়। তাঁরা এই আচার্য চান না। এসব প্রকাশ্যেই বলতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এসএফআই এবং শিক্ষাবন্ধু সমিতির সদস্যরাই মূলত বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা আরও অভিযোগ তুলেছেন, সম্প্রতি পাশ হওয়া নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ধনকড়ের ভূমিকাকে তাঁরা সমর্থন জানাতে পারছেন না। এঁদের বিক্ষোভের জেরে রাজ্যপলের গাড়ি এগোতে বাধা পায়। ফলে অরবিন্দ ভবন অর্থাৎ যেখানে বৈঠক হচ্ছে, সেই পর্যন্ত তিনি পৌঁছতে না পেরে গাড়িতেই বসে ছিলেন প্রায় ঘণ্টা খানেক। তারপর নিরাপত্তারক্ষীরা বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে আচার্যকে পৌঁছে দেন অরবিন্দ ভবনে। 





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’