বিমানবন্দরেই আটক ৪ তৃণমূলের প্রতিনিধি

22nd December 2019 ভারত
বিমানবন্দরেই আটক ৪ তৃণমূলের প্রতিনিধি


বাংলা নিউজঃ  à¦•্যাব  à¦†à¦¨à§à¦¦à§‹à¦²à¦¨à§‡à¦° মাঝে লখনউতে যাওয়ার পথে বাধা পেলেন তৃণমূলের চার প্রতিনিধি। দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বে প্রতিমা মণ্ডল, নাদিমুল হক এবং আবিররঞ্জন বিশ্বাস রবিবার দুপুরে লখনউ বিমানবন্দরে পৌঁছন। অভিযোগ, সেখানেই প্রায় পঞ্চাশজন ঘিরে ধরে তাঁদের। বিমানবন্দর থেকে বেরোতে দেওয়া হয়নি কাউকেই। দীনেশ ত্রিবেদীর নেতৃত্বে আপাতত রানওয়েতে ধরনায় বসেছেন তাঁরা।  à¦¦à§€à¦¨à§‡à¦¶ ত্রিবেদীর নেতৃত্বে যাবেন সাংসদ প্রতিমা মন্ডল, মহম্মদ নাদিমুল হক এবং আবীর বিশ্বাস। পুলিসের গুলিতে মৃতদের পরিবার এবং জখমদের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে তাঁদের। কিন্তু রবিবার সকালেই উত্তর প্রদেশের ডিজি ওপি সিং সাফ বলে দিয়েছেন, ১৪৪ ধারা জারি থাকায় তৃণমূল প্রতিনিধিদের লখনউ ঢুকতে দেওয়া হবে না। সাংবাদিকদের মাধ্যমে তৃণমূলের উদ্দেশ্যে দেওয়া বার্তায় ডিজি বলেছেন, ‘‌আমরা জানতে পেরেছি যে তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন নেতা খানে আসতে চাইছেন। আমরা তাঁদের এটার অনুমতি দেব না কারণ এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি আছে। ওঁরা এলে বিমানবন্দর থেকেই ওঁদের ফেরত পাঠানো হবে। আর এতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।’‌

গত শুক্রবার থেকে আন্দোলনের আগুনে জ্বলছে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর, দেওবাঁধ, শামলি, মুজাফ্ফরনগর, মিরাট, গাজিয়াবাদ, হাপুর, সম্বল, আলিগড়, বাহারাইচ, ফিরোজাবাদ, কানপুর, বাদোহি, গোরক্ষপুর। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিও চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে  ক্রমশই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বছর আটেকের একটি শিশু-সহ এখনও পর্যন্ত মোট à§§à§® জনের মৃত্যু হয়েছে। জখমও হয়েছেন অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে নিহতদের পরিজনদের সঙ্গে দেখা করতে লখনউতে যাওয়া তৃণমূলের ওই চার প্রতিনিধির। রবিবার সকালেই উত্তরপ্রদেশর ডিজিপি ওপি সিং জানিয়ে দিয়েছিলেন ১৪৪ ধারা জারি থাকা লখনউতে কিছুতেই তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে যেতে দেওয়া হবে না। লখনউ বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর ডিজিপির নির্দেশই বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হল তৃণমূল প্রতিনিধিদের।





Others News

দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে

 দেবেন্দ্রের মামলা এনআইএ-র হাতে


নিউজ ডেস্কঃ হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গিদের সঙ্গে গ্রেফতার জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি দেবেন্দ্র সিংহের মামলা হাতে নিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে দেবেন্দ্র যে হিজবুল জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নামিয়ে আনছিলেন তারা পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানে হওয়া দু’টি অভিযানের প্রতিশোধ নিতে দিল্লি, পঞ্জাব অথবা চণ্ডীগড়ে বড় মাপের বিস্ফোরণের ছক কষেছিল। সূত্রের খবর, ধৃত ডিএসপি-কে কাশ্মীরে জিজ্ঞাসাবাদের পরে দিল্লিতে নিয়ে এসে ফের এক দফা জেরা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ দিকে গত বছর লোকসভা ভোটের ঠিক আগে পুলওয়ামায় আধাসেনার কনভয়ে বিস্ফোরণের সময়ে সেখানে দেবেন্দ্রের উপস্থিতি নিয়ে আজ তরজায় জড়িয়ে পড়ে কংগ্রেস ও বিজেপি। 

শনিবার কুলগামের কাছে ধরা পড়েছিলেন দেবেন্দ্রে নামে ওই অফিসার ও জঙ্গিরা। অভিযোগ, ধৃত জঙ্গিদের নিরাপদে জম্মুতে নিয়ে আসার জন্য জঙ্গি পিছু ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন ওই অফিসার। গত ক’দিন ধরে উপত্যকায় প্রবল তুষারপাতের কারণে সড়কে যাতায়াত কার্যত বন্ধ রয়েছে। সূত্রের খবর, সে কারণে আপাতত কাজিগুণ্ডের কাছে রাখা হয়েছে ওই পুলিশ অফিসার ও জঙ্গিদের। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিশেষ মর্যাদা লোপের পরে কাশ্মীরে নজরদারি বাড়ায় সমতলে হামলার ছক কষছিল ওই জঙ্গিরা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রের দাবি, হামলার পরিকল্পনায় দেবেন্দ্রের মোবাইল ফোনও ব্যবহার করে তারা। অন্য জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও অস্ত্র-গোলাবারুদের জোগান সম্পর্কিত আলোচনা হয় ওই ফোনের মাধ্যমে। জঙ্গিদের সঙ্গে দেবেন্দ্রের ঘনিষ্ঠতা কোন পর্যায়ে গিয়েছিল, বাহিনীর আর কোনও অফিসার অর্থের বিনিময়ে জঙ্গিদের হয়ে কাজ করেন কি না তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্রের নামে থাকা পুরনো অভিযোগের ফাইল খোলা হচ্ছে। ২০০১ সালে সংসদ হামলায় অন্যতম দোষী আফজল গুরু ওই কাণ্ডে দেবেন্দ্রের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিল। আফজলের অভিযোগ ছিল, দেবেন্দ্রের চাপে পড়েই তাকে সংসদ হামলাকারী এক জঙ্গির দিল্লিতে থাকা ও গাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে হয়েছিল। আফজলের সেই পুরনো অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন ডিআইজি ইশরার খানের কথায়, ‘‘ওই ব্যক্তির নামে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুলিশ অফিসার টাকার লোভে এই ধরনের কাজ করে বাহিনীর বদনাম করে।’’ আজই কেন্দ্র জানিয়েছে, দেবেন্দ্র সিংহ কোনও রাষ্ট্রপতি পদক পাননি। তবে ২০১৭ সালে পুলওয়ামাতে জঙ্গি দমনে সাহসিকতার জন্য রাজ্যস্তরে মেডেল দিয়ে সম্মানিত করেছিল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।