এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের পার্শ্বশিক্ষকের পদমর্যাদা দেবে রাজ্য সরকার।

22nd December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের পার্শ্বশিক্ষকের পদমর্যাদা দেবে রাজ্য সরকার।


 বাংলা খবরঃ এবার এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের পার্শ্বশিক্ষকের পদমর্যাদা দেবে রাজ্য সরকার। এই মর্মে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করল শিক্ষা দপ্তর। এই দাবি নিয়েই বহুদিন ধরেই আন্দোলন করছিলেন শিক্ষা সহায়ক এবং সহায়িকারা। তাঁদের দাবি বাস্তবায়িত হল। তবে এজন্য এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের একটি অপশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। যাঁদের ৬০ বছরের মধ্যে বয়স, তাঁদের এই ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। যাঁরা ফর্ম জমা দেবেন, একমাত্র তাঁরাই পার্শ্বশিক্ষকদের সমতুল্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। শুধু তাই নয়, এসএসকে এবং এমএসকে শিক্ষকদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণও শিক্ষা দপ্তরের অধীনে নিয়ে আসা হল। পুরোটাই আগামী বছর ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। উল্লেখ্য, এতদিন এই শিক্ষকরা পঞ্চায়েত দপ্তরের অধীনে ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই শিক্ষকদের অপশন ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। সঙ্গে তাঁদের মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট অথবা অ্যাডমিট কার্ড দিতে হবে। বর্তমানে এসএসকে-এমএসকে শিক্ষকদের অবসরের বয়স ৬৫। পার্শ্বশিক্ষক সহ বাকি শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেটা ৬০। তাই পার্শ্বশিক্ষকরা যে সুবিধা পান, তা পেতে গেলে এসএসকে-এমএসকে শিক্ষকদের এই অপশন ফর্ম জমা দিতে হবে। যদিও এটি ঐচ্ছিক। কেউ চাইলে তা নিতে পারেন, আবার কেউ মনে করলে ৬৫ বছর পর্যন্ত কাজ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তিনি পার্শ্বশিক্ষকের পদমর্যাদা পাবেন না। তবে পার্শ্বশিক্ষকরা কী কী সুবিধা-সুযোগ পান, তা অবশ্য এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়নি। তাই এসএসকে-এমএসকে শিক্ষকরা এ নিয়ে একটু ধোঁয়াশায় রয়েছেন।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’