হাতির হানায় অতিষ্ঠ মানুষ

21st December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
হাতির হানায় অতিষ্ঠ মানুষ


আবিদ হোসেনঃ আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ও মাদারীহাট ব্লকের খয়েরবাড়ি বন সংলগ্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত হাতির হানায় অতিষ্ঠ গ্রাম বাসি । প্রায় প্রতি রাতে হাতি তাণ্ডব চালাচ্ছে বন সংলগ্ন এলাকা গুলো । ভেঙে ফেলছে মানুষের ঘরবাড়ি ,নষ্ট করছে ফসল , সুপারি গাছ সহ সবজির আবাদ । গত রাতেও দুটি হাতির দল হানা দিয়ে উত্তর দেওগাঁও ও দক্ষিণ দেওগাঁও আদিবাসী পাড়ায় মোট নয়টি বাড়ি ভেঙে তছনছ করে দেয় । উত্তর দেওগাঁয়ে এক বাড়ীতে মজুত করা ধান খেয়ে ফেলে একদল হাতি। এলাকাবাসী আশরাফুল হক , শরৎ চন্দ্র মূর্মূদের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে হাতির দল এভাবে তাণ্ডব চালাচ্ছে এলাকায় । রাতে হাতির ভয়ে ঘুম ছুটে গেছে বলে তারা জানায় ।তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপুরণ দেওয়া হয় বলে মাদারীহাট রেঞ্জ সূত্রে খবর ।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’