এনআরসির জন্য কী কী নথি প্রয়োজন.‌.‌.‌

15th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
এনআরসির জন্য কী কী নথি প্রয়োজন.‌.‌.‌


বাংলা নিউজঃ সম্প্রতি অসমেও নাগরিক পঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই তালিকা থেকে বাদ গিয়েছেন ১৯ লক্ষ মানুষ। বহু মানুষ ছোট ছোট ভুলভ্রান্তির কারণেই এখন ডিটেনশন ক্যাম্পে পচছেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পরবর্তী লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি চালু করা। আর সেই আতঙ্কেই বাংলায় আত্মহত্যা করছেন প্রচুর সাধারণ মানুষ। বাংলায় যদি এনআরসি করতে সক্ষম হয় কেন্দ্রীয় সরকার, সেক্ষেত্রে কী কী নথি প্রয়োজন, জেনে নিন।
(ক) ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ মধ্যরাতের আগে কারও নিম্নলিখিত নথিপত্রের নাম না থাকলে তিনি এনআরসি ভুক্ত হতে পারেনি। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন.‌.‌.‌
১. ১৯৫১ সালের এনআরসি তালিকায় নাম।
২. ১৯৭১ সালের আগের ভোটার তালিকায় ।
৩. জমির বা বাড়ির প্রমাণ।
৪. নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট।
৫. স্থায়ী বসবাসের শংসাপত্র।
৬. এলআইসি পলিসি, পাসপোর্ট, সরকারি সার্টিফিকেট।
৭. সরকারি সেবা বা চাকরি সার্টিফিকেট।
৮. জন্মের শংসাপত্র।
৯. স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট।
১০. পোস্ট অফিসের কাগজ–পত্র। 

(খ) ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ মধ্যরাতের আগে বাবা, মা, ঠাকুরদা বা ঠাকুমা নিম্নলিখিত তালিকায় নাম থাকলেও মিলতে পারে নাগরিকত্ব। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন.‌.‌.‌
১. জমির রেকর্ড।
২. বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে সার্কেল ইনস্পেক্টর গ্রাম পঞ্চায়েত সার্টিফিকেট।
৩. ১৯৭১ সালের আগে ভোটের তালিকা।
৪. রেশন কার্ড, ব্যাঙ্ক, এলআইসি বা পোস্ট অফিসের কাগজ।
৫. অন্য যেকোনও আইনগতভাবে বৈধ সরকারি নথিপত্র।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’