অনশন উঠে গেল পার্শ্বশিক্ষকদের

13th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
অনশন উঠে গেল পার্শ্বশিক্ষকদের


TARIF TV: শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আশ্বাসে আস্থা রেখেই বৃহস্পতিবার ৩২ দিনের বিক্ষোভ-অবস্থান এবং ২৮ দিনের অনশন তুলে নিলেন পার্শ্ব শিক্ষকেরা।এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানিয়েছেন ঐক্যমঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক মধুমিতা ভট্টাচার্য এবং ভগীরথ ঘোষ। তাঁরা বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর থেকে আশ্বাস পেয়ে আমরা আন্দোলন তুলে নিচ্ছি। তবে সরকারকে আমরা তিন মাস সময় দিচ্ছি। তার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ফের বৃহত্তম আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হবে। আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর অনশনকারীদের ফলের রস খাইয়ে অনশন ভঙ্গ করান মধুমিতাদেবী। এরপর তাঁদের জন্য মাংস-ভাতের আয়োজন করা হয়েছিল। 

ক্লাস বন্ধ করে আন্দোলন কেন, সেই প্রশ্ন তুলে হুঁশিয়ারির পাশাপাশি সরকারের তরফে ওই শিক্ষকদের ‘শো-কজ়’ বা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল। সেই টানাপড়েনের মধ্যেই বুধবার পার্শ্ব শিক্ষকদের সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পার্থবাবু। সংগঠনের তরফে এ দিন জানানো হয়, মন্ত্রীর লিখিত আশ্বাস আসার পরেই অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’