রাষ্ট্রপতি ডঃ এ পি জে আবদুল কালামের কিছু মূল্যবান বাণী

10th December 2019 শিক্ষা
রাষ্ট্রপতি ডঃ এ পি জে আবদুল কালামের কিছু মূল্যবান বাণী


১)
‘স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে
দেখো।
স্বপ্ন সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।’
২)
‘সূর্যের
মতো দীপ্তিমান হতে হলে
প্রথমে তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।’
৩)
‘যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর,
দেখো
তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না।
কিন্তু তুমি যদি তোমার কাজকে
অসম্মান কর,
অমর্যাদা কর, ফাঁকি দাও,
তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট করতে হবে।’
৪)
‘যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না;
তাদের অর্জন অন্তঃসারশূন্য,
উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।’
৫)
‘প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো :
– আমি সেরা।
– আমি করতে পারি।
– সৃষ্টিকর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে।
– আমি জয়ী।
– আজ দিনটা আমার। ’
৬)
‘ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও
উদ্ভাবনের সাহস থাকতে হবে,
অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং
সমস্যাকে জয় করে সফল হতে হবে।
এ সকল
মহানগুণের দ্বারা তরুণদের চালিত হতে
হবে।
তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই আমার বার্তা।’
৭)
‘জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে মৌলিক অধিকার ধরে রাখার
মাধ্যমেই শুধুমাত্র তুমি সেখানে জয়ী
হতে পারবে।’
৮)
‘আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই।
পুরো মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি
বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা
দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই
বিশ্ব।’
৯)
‘উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া
এবং এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।’
১০)
‘যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর মনের মানুষের জাতি হতে হয়,
তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এ
ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য
পার্থক্য এনে দিতে পারে।
তারা হলেন
বাবা, মা এবং শিক্ষক।’
১১)
‘সমস্যাকে কখনো এড়িয়ে যেতে চাইবে না।
বরং সমস্যা এলে তার
মুখোমুখি
দাঁড়াবে। মনে রাখবে, সমস্যাবিহীন
সাফল্যে কোনো আনন্দ নেই। সব সমস্যার
সমাধান আছেই।’
১২)
‘জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি আমি
আলোকপাত করি।
সেগুলো হলো: জীবনের লক্ষ্য
নির্ধারণ, জ্ঞান আহরণ, অনেক বড়
সমস্যায়
পড়লেও লক্ষ্য থেকে সরে না আসা এবং কোনো কাজে সাফল্য ও ব্যর্থতা
দুটোকেই নেতৃত্বগুণে সামাল দিতে পারা।’
১৩)
‘এখন থেকে সবকিছুতে দেশের কথা
মাথায় রাখবে। কোনো স্বপ্ন দেখলে
নিজের সঙ্গে দেশকে নিয়েও দেখবে, কোনো
চিন্তা করলে দেশকে নিয়ে করবে আর
কোনো কাজে মগ্ন হলে দেশের জন্য করবে।’
১৪)
‘সমস্যাকে কখনো তোমার ওপর চেপে
বসতে দেব না।
যত কঠিন সময়ই আসুক না কেন, কখনোই হাল ছেড়ে দেব না।’
১৫)
‘হতাশ না হয়ে নিজেকে স্বপ্নপূরণের
কতটা কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারছ,
সেদিকে নজর রাখবে। কখনোই সাহস হারাবে
না।
নিজের একটি দিনও যাতে বৃথা মনে না হয়,
সে চেষ্টা করো।’





Others News

সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞান


১। *অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড* - ১৯৮৭-৮৮ - প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে।

২। *জাতীয় সাক্ষরতা উন্নয়ন* - ১৯৮৮ - সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করা।

৩। *ন্যাশনাল লিটারেসি মিশন প্রোগ্রাম* - ১৯৮৮ - ১৫-৩৫ বয়স্ক ৮০ কোটি মানুষকে স্বাক্ষর করা।

৪। *জওহর রোজগার যোজনা* - ১৯৮৯ - গ্রামীণ বেকারদের কর্ম প্রদান।

৫। *নেহেরু রোজগার যোজনা* - ১৯৮৯ - শহরের বেকার সমস্যার সমাধান।

৬। *শহরের কর্ম মজুরি প্রকল্প* - ১৯৯০ - যে শহরে জনসংখ্যা ১ লক্ষের কম সেখানকার গরিবদের কাজের বিনিময়ে মজুরী ও অন্যান্য নুন্যতম ব্যবস্থার সংস্থান।

৭। *কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্প* - ১৯৯৩ - গ্রামে বছরে কমপক্ষে ১০০ দিনের কাজের নিশ্চয়তা প্রদান।

৮। *মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা* - ১৯৯৩ - পোস্ট অফিসে টাকা জমা করতে মহিলাদের উৎসাহিত করা।

৯। *শিশুশ্রমিক দূরীকরণ প্রকল্প* - ১৯৯৪ - শিশুদেরকে ক্ষতিকারক শিল্প থেকে মুক্ত করে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা।

১০। *জাতীয় সামাজিক সাহায্য প্রকল্প* - ১৯৯৫ - দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীদের সাহায্য করা।

১১। *মিড ডে মিল স্কীম* - ১৯৯৫ - প্রাথমিক স্তরে শিক্ষায় পড়ুয়াদের উৎসাহ প্রদান ও মিড ডে মিল প্রদান।

১২। *জাতীয় বস্তি উন্নয়ন কর্মসূচী* - ১৯৯৬ - শহরের বস্তির উন্নয়ন।

১৩। *গণবন্টন ব্যবস্থা* - ১৯৯৭ - রেশনের মাধ্যমে চাল, গম, চিনি, কেরোসিন জনগণের কাছে সুষ্ঠভাবে বন্টন করা।

১৪। *অন্নপূর্ণা যোজনা* - ১৯৯৯ - পেনশনভোগী নন এমন বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের মাসে ১০ কেজি করে খাদ্যশস্য বিতরণ।

১৫। *স্বর্ণজয়ন্তী গ্রাম স্বরোজগার যোজনা* - ১৯৯৯ - গ্রামীন দারিদ্র ও বেকারত্বের দূরীকরণ এবং স্বনিযুক্তির প্রচলন।

১৬ । *জওহর গ্রাম সমৃদ্ধি যোজনা* - ১৯৯৯ - গ্রামে চাহিদাভিত্তিক পরিকাঠামো সৃষ্টি।

১৭। *প্রধানমন্ত্রী গ্রামোদয় যোজনা* - ২০০০ - গ্রামে ন্যূনতম পরিষেবা প্রদান।

১৮। *অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা* - ২০০০ - গরিবদের খাদ্যসুরক্ষা প্রদান।

১৯। *প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা* - ২০০০ - সমস্ত গ্রামের সংযুক্তিকরণ পাকা রাস্তা দিয়ে করা।

২০। *সর্বশিক্ষা অভিযান* - ২০০০ - ৬ থেকে ১৪ বছর বয়স্ক শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় ৫ বছরের পূর্তিকরণ।