ইন্টারভিউ? ঘাবড়াবেন না। কী করবেন, জেনে নিন

8th December 2019 শিক্ষা
ইন্টারভিউ? ঘাবড়াবেন না। কী করবেন, জেনে নিন


‘ইন্টারভিউ’ শব্দটা শুনলেই অনেকের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। অনেকে আবার অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে নিজেকে ডোবান। অথচ, সহজ কয়েকটি জিনিস মাথায় রাখলেই কেল্লাফতে।
ইন্টারভিউ দিন হাসিমুখে।
১. কথা না-বলেই অনেক কিছু যখন বোঝানো যায়, তখন কথা বলবেন কেন? ইন্টারভিউ-এর সময়ে সোজা হয়ে বসুন, তবে মনে রাখবেন আপনাকে যেন কেঠো কেঠো মনে না-হয়। রিল্যাক্সড থাকুন, কিন্তু কথাবার্তা, বসা, চাহনিতে যেন গা-এলানো ভাব না-থাকে।
২. ভাল করে শুনুন, কী বলা হচ্ছে। মনে রাখবেন, ভাল শ্রোতার মূল্য অপরিসীম। তার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ইন্টারভিউ-এ অনেক সময়েই কথার ফাঁকে নানা কথা গুঁজে দেওয়া হয়। সেগুলি কিন্তু বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
৩. বেশি কথা বলবেন না। কম কথায় কাজ সারুন। মিথ্যে কথা নৈব নৈব চ। ‘‘কেন চাকরি প্রয়োজন’’-গোত্রের প্রশ্ন হলে প্রথম উত্তর ‘‘কারণ বাঁচার জন্য আমার যোগ্যতা অনুযায়ী একটি চাকরি চাই’’-গোছের কিছু হলে ভাল হয়।
৪. নিজের সীমাবদ্ধতা প্রকট হয়, এমন কোনও উত্তর দেবেন না। মনে রাখবেন, ইন্টারভিউ নেওয়া হচ্ছে আপনাকে চাকরি দেওয়ার প্রাথমিক ইচ্ছে থেকেই। ফলে, জেতা খেলা নিজের দোষে হেরে আসবেন না।
৫. তবে যা পারেন না, তা সরাসরি বলবেন। মনে রাখবেন, আপনি সবজান্তা নন, এটা যাঁরা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তাঁরাও জানেন। ফলে, তাঁদের সামনে সবজান্তা হওয়ার চেষ্টাই করবেন না।
৬. মনে রাখবেন, পেশাদার জায়গায় গিয়েছেন। ফলে, ব্যক্তিগত কথাবার্তা যত দূর সম্ভব বাদ দিন। যাঁরা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে কেউ আপনার পূর্ব-পরিচিত হতেই পারেন। কিন্তু সেটা যেন প্রকাশ না-পায়।
৭. উত্তর দেওয়ার আগে ভাল করে ভেবে নিন। প্রয়োজনে সামান্য সময় নিন। এতে আপনার সম্পর্কে ভাল ধারণাও তৈরি হবে। উত্তর অজানা থাকলে বলে দিন সেটাও। আর জানা উত্তর হলে গুছিয়ে জবাব দিন।
৮. সবথেকে কঠিন কাজ হল ইন্টারভিউ-এর খাত নিজের দিকে ঘোরানো। মনে রাখবেন, ইন্টারভিউ হল এক ধরনের কথোপকথন। একটির সঙ্গে আর একটির সাধারণত যোগসূত্র থাকে। এমনভাবে উত্তর দিন যাতে পরের প্রশ্নগুলি আপনার আয়ত্তের মধ্যেই থাকে।
৯. পাল্টা প্রশ্ন করুন। কিন্তু খেয়াল রাখবেন, তাতে যেন ঔদ্ধত্য প্রকাশ না-পায়। যা জানার, তা স্মার্টলি জেনে নিন। বিনয়ী হওয়ার অর্থ কিন্তু আনস্মার্ট হওয়া নয়।
১০. শেষ কথা। চাকরির জন্য আপনি মরিয়া, এটা কখনওই বোঝাবেন না। আপনার চাকরি প্রয়োজন, সেটা সকলেরই প্রয়োজন। ফলে, আপনি কোনও ক্ষেত্রবিশেষ নন। ডেসপারেশন মোটেই ভাল জিনিস নয়।





Others News

সাধারণ জ্ঞান

সাধারণ জ্ঞান


১। *অপারেশন ব্ল্যাকবোর্ড* - ১৯৮৭-৮৮ - প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে।

২। *জাতীয় সাক্ষরতা উন্নয়ন* - ১৯৮৮ - সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করা।

৩। *ন্যাশনাল লিটারেসি মিশন প্রোগ্রাম* - ১৯৮৮ - ১৫-৩৫ বয়স্ক ৮০ কোটি মানুষকে স্বাক্ষর করা।

৪। *জওহর রোজগার যোজনা* - ১৯৮৯ - গ্রামীণ বেকারদের কর্ম প্রদান।

৫। *নেহেরু রোজগার যোজনা* - ১৯৮৯ - শহরের বেকার সমস্যার সমাধান।

৬। *শহরের কর্ম মজুরি প্রকল্প* - ১৯৯০ - যে শহরে জনসংখ্যা ১ লক্ষের কম সেখানকার গরিবদের কাজের বিনিময়ে মজুরী ও অন্যান্য নুন্যতম ব্যবস্থার সংস্থান।

৭। *কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্প* - ১৯৯৩ - গ্রামে বছরে কমপক্ষে ১০০ দিনের কাজের নিশ্চয়তা প্রদান।

৮। *মহিলা সমৃদ্ধি যোজনা* - ১৯৯৩ - পোস্ট অফিসে টাকা জমা করতে মহিলাদের উৎসাহিত করা।

৯। *শিশুশ্রমিক দূরীকরণ প্রকল্প* - ১৯৯৪ - শিশুদেরকে ক্ষতিকারক শিল্প থেকে মুক্ত করে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা।

১০। *জাতীয় সামাজিক সাহায্য প্রকল্প* - ১৯৯৫ - দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারীদের সাহায্য করা।

১১। *মিড ডে মিল স্কীম* - ১৯৯৫ - প্রাথমিক স্তরে শিক্ষায় পড়ুয়াদের উৎসাহ প্রদান ও মিড ডে মিল প্রদান।

১২। *জাতীয় বস্তি উন্নয়ন কর্মসূচী* - ১৯৯৬ - শহরের বস্তির উন্নয়ন।

১৩। *গণবন্টন ব্যবস্থা* - ১৯৯৭ - রেশনের মাধ্যমে চাল, গম, চিনি, কেরোসিন জনগণের কাছে সুষ্ঠভাবে বন্টন করা।

১৪। *অন্নপূর্ণা যোজনা* - ১৯৯৯ - পেনশনভোগী নন এমন বৃদ্ধ বৃদ্ধাদের মাসে ১০ কেজি করে খাদ্যশস্য বিতরণ।

১৫। *স্বর্ণজয়ন্তী গ্রাম স্বরোজগার যোজনা* - ১৯৯৯ - গ্রামীন দারিদ্র ও বেকারত্বের দূরীকরণ এবং স্বনিযুক্তির প্রচলন।

১৬ । *জওহর গ্রাম সমৃদ্ধি যোজনা* - ১৯৯৯ - গ্রামে চাহিদাভিত্তিক পরিকাঠামো সৃষ্টি।

১৭। *প্রধানমন্ত্রী গ্রামোদয় যোজনা* - ২০০০ - গ্রামে ন্যূনতম পরিষেবা প্রদান।

১৮। *অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা* - ২০০০ - গরিবদের খাদ্যসুরক্ষা প্রদান।

১৯। *প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা* - ২০০০ - সমস্ত গ্রামের সংযুক্তিকরণ পাকা রাস্তা দিয়ে করা।

২০। *সর্বশিক্ষা অভিযান* - ২০০০ - ৬ থেকে ১৪ বছর বয়স্ক শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষায় ৫ বছরের পূর্তিকরণ।