পার্শ্বশিক্ষকেরা আন্দোলন বন্ধ করে আলোচনায় বসবে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে

8th December 2019 পশ্চিমবঙ্গ
পার্শ্বশিক্ষকেরা আন্দোলন বন্ধ করে আলোচনায় বসবে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে


বাংলা নিউজঃ  à¦†à¦¨à§à¦¦à§‹à¦²à¦¨à¦°à¦¤ পার্শ্ব শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু ধর্না না-তুললে আলোচনা সম্ভব কি না, শনিবার সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

আন্দোলনরত পার্শ্বশিক্ষকরা কেন স্কুলে যাচ্ছেন না, তার জবাব পেতে তাঁদের শোকজ করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। যদিও তা নিয়ে আদৌ চিন্তিত নন আন্দোলনকারীরা। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় তাঁদের দাবি না মিটলে ফের নতুন করে আন্দোলন শুরু হবে বলে তাঁরা পালটা জানিয়ে দিয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রী শনিবার অনুষ্ঠানে বলেন, ”যাঁরা আন্দোলন করছেন তাঁদের বিবেকের কাছে আবেদন করছি, কাজটা কি ঠিক হচ্ছে? অভিভাবকরা আমাদের বলছেন, আপনারা কড়া ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন।আন্দোলনকারী পার্শ্বশিক্ষকদের বলব, আমাদের একটু সুযোগ দিন।   à¦¤à¦¬à§‡ আলোচনার সময় একথা জিজ্ঞেস করব, কোনও প্রোজেক্টে কি বেতন কাঠামো থাকে? কেন্দ্রীয় সরকারকে এটা জিজ্ঞেস করুন।”

পার্থবাবু এ-ও জানান, পার্শ্ব শিক্ষকদের এমন রাস্তায় বসে থাকা তিনি মেনে নিতে পারছেন না। পার্শ্ব শিক্ষকদের উদ্দেশে তাঁর বক্তব্য,, ‘‘ধর্না প্রত্যাহার করুন। অনশন প্রত্যাহার করুন। পড়ুয়াদের পড়াশোনা বন্ধ করবেন না।’’ তাঁর দাবি, বিভিন্ন প্রকল্পে পার্শ্ব শিক্ষকেরা কাজ পেয়েছেন। এঁদের বেতন কাঠামো হয় না। পার্শ্ব শিক্ষকদের এই আন্দোলন এ দিন ২৭তম দিনে পড়েছে। শিক্ষামন্ত্রী এ দিন জানান, এই শিক্ষকেরা স্কুলে যাচ্ছেন না বলে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে তাঁকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘এ বার তাঁরা যদি রাস্তায় নেমে পড়েন?’’ মধুমিতাদেবীর অভিযোগ, পার্শ্ব শিক্ষকদের অনেককেই স্কুলে কাজে যোগ দিতে দেওয়া হচ্ছে না। অবস্থানের পাশপাশি পার্শ্ব শিক্ষকেরা স্কুল বয়কটও করে যাচ্ছিলেন। শুক্রবার পাঁচ দিনের জন্য স্কুল বয়কটের ডাক প্রত্যাহার করা হয়েছে।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’