১০০ কেজি প্লাস্টিক খেয়ে মৃত তিমি ,

5th December 2019 বিশ্ব
 ১০০ কেজি প্লাস্টিক খেয়ে মৃত তিমি ,


বাংলা নিউজঃ স্কটল্যান্ডের সমুদ্রসৈকতে একটি  তিমিটিকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তা নজরে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের। তাঁরা এগিয়ে গিয়েই বুঝতে পারেন প্রাণের স্পন্দন আর নেই। সকলেই নিশ্চিত হন যে মারা গিয়েছে ওই তিমিটি। খবর দেওয়া হয় স্কটিশ মেরিন অ্যানিম্যাল স্ট্র্যান্ডিং স্কিম নামে এক সংস্থাকে। সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিমির মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করে। তাতেই দেখা গিয়েছে যে শুধুমাত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ওই তিমির মৃত্যুর প্রধান কারণ। তার পেট থেকে প্রায় ১০০ কেজি ওজনের প্লাস্টিক কাপ, ব্যাগ, গ্লাভস, মাছ ধরার জাল পাওয়া গিয়েছে। ড্যান পেরি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তিমির পেট থেকে প্লাস্টিক উদ্ধারের ঘটনায় আরও একবার প্রমাণিত দূষণ ঠিক কতটা ভয়াবহ আকার নিয়েছে।” 

প্রসঙ্গত , ১ ডিসেম্বর বেলদাতে বুদ্ধিজীবী মহলের পরিবেশ সচেতনতা শিবিরে ডঃ রবীন্দ্র নাথ সর প্ল্যাস্টিক এর অপকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে জনগণকে সচতন করার প্রয়াস করতে গিয়ে এই বিষয়টির উপরে আলোকপাত করেছিলেন । তিনি বলেছিলেন ," কুকুর , গরু ও অন্যান্য প্রাণী পলিথিন এ মোড়া খাবার খেতে গিয়ে প্ল্যাস্টিক পলিথিন ব্যগ খেয়ে মারা যাচ্ছে । 





Others News

সমুদ্রের নীচের প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করতে কুমেরু মহাসাগর পাড়ি দিচ্ছেন বাঙালি গবেষক

সমুদ্রের নীচের প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করতে কুমেরু মহাসাগর পাড়ি দিচ্ছেন বাঙালি গবেষক


নিউজ ডেস্কঃ আন্টার্টিকা মহাদেশের পরিবেশ, জীববৈচিত্র ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা অনেক হয়েছে। কিন্তু আন্টার্টিক ওশান বা কুমেরু মহাসাগরের জীববৈচিত্র নিয়ে সেভাবে কোনও পরীক্ষা বা কাজ হয়নি। এবার তার উপরই গবেষণা করতে কুমেরু মহাসাগর পাড়ি দিচ্ছেন শহরের এক বাঙালি বিজ্ঞানী। নতুন বছরেই সেখানে রওনা দেবেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুমিত মণ্ডল। তাঁর বক্তব্য, এই মহাসমুদ্রের যে অঞ্চলে এই গবেষণা করবেন তিনি, সেখানে এর আগে সেভাবে কেউ যাননি। ভারত থেকেও সেখানে কেউ গিয়েছেন বলে মনে হয় না।
সাদার্ন সি এবং আন্টার্টিক ওশান অভিযানের একাদশতম বর্ষে এই বাঙালি বিজ্ঞানীকে বেছে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূবিজ্ঞান মন্ত্রক। কেন্দ্রের খরচেই কুমেরু মহাসাগরে যে সব জীব রয়েছে, তাদের বাস্তুতন্ত্র (ইকোলজি) নিয়ে যেমন গবেষণা করবেন সুমিতবাবু, তেমনই বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে সেই সব প্রাণীদের উপর কোনও প্রভাব পড়ছে কি না, তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে। মূলত বেনথিক প্রাণীদের উপরই হবে এই গবেষণা। কারণ এই অঞ্চলের প্রাণীদের নিয়ে বিশেষ তথ্য সেভাবে নেই। বেনথিক প্রাণী কারা? এই বিজ্ঞানীর মতে, যে সব প্রাণী সমুদ্রের মাটির নীচে থাকে, কিন্তু খালি চোখে দেখা যায় না। এরা মূলত চিংড়ি, কাঁকড়ার মতো প্রাণীদের খাদ্য হিসেবেই পরিচিত। বিজ্ঞানীদের মতে, তাপমাত্রার পরিবর্তনের প্রভাব এই বেনথিক প্রাণীদের উপর পড়ে। ক্রান্তীয় অঞ্চলে এই প্রাণীদের উপর ইতিমধ্যে গবেষণা হয়েছে। তাই সেখানকার সঙ্গে মেরু অঞ্চলের এমন প্রাণীদের কী তফাৎ, বা তাদের অন্য কোনও বৈশিষ্ট আছে কি না, তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে।
এই দুর্গম এলাকায় যাওয়ার জন্য ভারত সরকার দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন জাহাজ ভাড়া করেছে বলে জানা গিয়েছে। মরিশাস থেকে সেই যাত্রা শুরু হবে। গোটা অভিযানের সময়কাল হচ্ছে আড়াই মাস। তবে অন্যান্য জায়গার থেকে এই গবেষণার মূল ফারাক হল, সুমিতবাবুর গবেষণা হবে পুরোটাই জাহাজে। অর্থাৎ, আন্টার্টিকার প্রিদ্স বে’তে (যে অঞ্চল এই গবেষণার জন্য চিহ্নিত হয়েছে) জাহাজে থাকা একটি যন্ত্রের সাহয্যে সমুদ্রের নীচ থেকে মাটি তুলে আনা হবে। তা দিয়েই গবেষণা করবেন সুমিতবাবু। সব মিলিয়ে সেখানে ১০ দিনের বেশি থাকতে পারবেন না তিনি। তারপর দেশে ফিরে সেখান থেকে সংগৃহীত প্রাণীদের এখানে আনা হবে। বাকি কাজ এই বিজ্ঞানীর ল্যাবরেটরিতেই হবে। এই গোটা গবেষণার মেয়াদ তিন বছর।