নয়া বছরে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার, ধনকার-পার্থ একান্ত বৈঠক

1st January 2020 পশ্চিমবঙ্গ
নয়া বছরে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার, ধনকার-পার্থ একান্ত বৈঠক


পশ্চিমবঙ্গঃ বরফ গলার ইঙ্গিত কয়েকদিন আগেই মিলেছিল। রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত পত্রালাপের মাধ্যমে সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। রাজ্য ও রাজ্যপালের সংঘাতের আবহ আরও যাতে তিক্ততার পর্যায়ে না গড়ায়, এবার সেই রাস্তা বেছে নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিল উভয় শিবির। মঙ্গলবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকারের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দূত’ তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সওয়া এক ঘণ্টা মুখোমুখি বৈঠক করার পর তাকে যথেষ্ট ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেছে উভয়পক্ষ। শুধু আলোচনা করাই নয়, রাজ্যপালের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো কেক ও পুষ্পস্তবক সহ বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমেও ধনকারের মন অনেকটাই জয় করেছেন পার্থবাবু। প্রতি সৌজন্য হিসেবে রাজ্যপালও পার্থবাবুর হাতে তুলে দিয়েছেন রাজভবনের স্মারক। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে জানিয়েছেন নতুন বছরের শুভেচ্ছাও। তবে রাজ্যপাল এবং পার্থবাবু উভয়েই এদিনের বৈঠক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বললেও কেউই তার বিষয়বস্তু নিয়ে মুখ খুলতে চাননি। যা দেখে পর্যবেক্ষকদের অনেকের অভিমত, উভয়পক্ষই এবার সম্ভবত সংঘাতের পথ থেকে সরে আসতে চাইছে। তাই এনিয়ে নয়া বিতর্ক তৈরি করতে চাইছে না। যদিও এই ‘সন্ধি’র রাস্তায় তারা কতদিন হাঁটবে, তা নির্ভর করছে সংবিধান ও আইন মেনে নবান্ন ও রাজভবন পরস্পরের প্রতি কেমন আচরণ করে তার উপর।





Others News

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের

‘কাশ্মীরের ধৃত DSP সিং না হয়ে খান হলে কী হত?’, বিজেপিকে জিজ্ঞাসা অধীরের


নিউজ ডেস্কঃ জঙ্গিদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে কাশ্মীরের ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং। তাকে জেরা করে জানা গিয়েছে, এই কাজের জন্য ১২ লক্ষ টাকা নিয়েছিল সে। তদন্তে আরও জানা যায়, ২০০১ সালের সংসদ হামলার মূলচক্রী হিসেবে ফাঁসিতে ঝোলা আফজল গুরুকে দিল্লিতে এক জঙ্গিকে লুকিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল দেবেন্দ্র। সেই জঙ্গিই পরে সংসদে হামলা চালায়। শুধু এই ঘটনাই নয়, দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই জঙ্গিদের সাহায্য করেছে সে। এই বিষয়গুলি প্রকাশ্যে আসার পরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করেছেন বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরি। সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ধৃত ডি এস পি দেবেন্দ্র সিং যদি শিখ না হয়ে মুসলিম হত তা হলে কী হত? এত বড় মাপের একজন পুলিশ আধিকারিক গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পুলওয়ামার জঙ্গি হামলার ঘটনার ফের তদন্ত করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এই বিষয়ে একাধিক টুইট করে কোনওভাবেই দেশের শত্রুদের যাতে ছাড়া না হয় তার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে যেন তাদের ধর্ম ও সামাজিক পরিচয় কোনও প্রভাব ফেলতে না পারে সেকথাও উল্লেখ করেন। টুইট করে প্রশ্ন করেন, ‘দেবেন্দ্র সিংয়ের বদলে ওই ডিএসপি’র নাম যদি দেবেন্দ্র খান হত। তাহলে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ -র ট্রোল রেজিমেন্টের আক্রমণ আরও তীব্র ও কৌতূকপূর্ণ হত। আমাদের দেশের শত্রুদের শরীরের রং, বর্ণ এবং ধর্ম নির্বিশেষে নিন্দিত হওয়া উচিত।’